Skip to main content

Posts

Showing posts with the label আবিষ্কার-ইতিহাস

ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি- টেলিফোন এবং টেলিগ্রাম

ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি- টেলিফোন এবং টেলিগ্রাম যে প্রযুক্তিগুলো আজ হাতে হাতে, যা ছাড়া আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবন কল্পনা ও করতে পারিনা কেমন ছিল সেই প্রযুক্তিগুলোর শুরু! ঊনবিংশ শতাব্দী  ছিল অনেক উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তির হাতে খড়ি শতক। যে প্রযুক্তিগুলো আজ নতুন রঙ, নতুন ঢঙে দুনিয়া কাঁপাচ্ছে। সেই দুনিয়া বদলে দেয়া প্রযুক্তিগুলোর শুরুর ইতিহাস নিয়ে কয়েক পর্বের ধারাবাহিক এর প্রথম পর্ব এটি। টেলিফোন: প্রথমেই আসা যাক টেলিফোন এর কথায়। প্রথম যখন এমন একটা ধারণা উপস্থাপন করা হল, যে মানুষের কণ্ঠস্বর অনেক দূর পর্যন্ত পাঠানো হয়ত  সম্ভব তখন এটা অনেক টা জাদুবিদ্যার মত শুনিয়েছিল। কিন্তু যখন ১৮৭৬ সালে আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল প্রথম তার "তড়িৎ তারবার্তা" পেটেন্ট করে ফেললেন তখন জাদুবিদ্যার মত শোনানো এই অসম্ভব ব্যাপার বাস্তব হয়ে গেল। এবং রাতারাতি অনেক কিছু বদলে গেল। প্রথম টেলিফোন আজ আমরা কত রকমের ফোন, ফোনের বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম, ফোনেই ইন্টারনেট ব্যবহার, কি না করছি ফোন দিয়ে। অথচ একসময় মানুষের কল্পনাতেও ছিলনা এভাবে দূর থেকে একজন এর কন্ঠ আরেকজনের কাছে পৌছানো যায়। আলেক্সান্ডার গ্রাহা...

মজাদার আইসক্রিমের জন্মকথা!!!

মজাদার আইসক্রিমের জন্ম কথা সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮   - আবিস্কার - ইতিহাস আইসক্রিম এক মজাদার খাবারের নাম। আইসক্রিম পছন্দ করে না এমন লোক খুব কমই আছে। এমন অনেকে আছেন যারা আইসক্রিম খুবই পছন্দ করেন কিন্তু ঠাণ্ডা সমস্যার কারণে খেতে পারেন না। আইসক্রিম  (Ice cream)  শব্দটি ইংরেজি শব্দ ,  যার শাব্দিক অর্থ বরফ ক্রিম। সাধারণত হিমায়িত বরফের সাথে বিভিন্ন মিষ্টান্ন, ফল, চিনি, দুধ, রং ইত্যাদি মিশিয়ে তৈরি করা হয় আইসক্রিম। বর্তমানে আইসক্রিম তৈরির সাথে ফ্লেভার ,  চকোলেট, বাদাম এবং বিভিন্ন ধরনের উপাদান মিশ্রণ দেয়া হয়। আইসক্রিম শব্দটি মূল শব্দ হলেও দেশে দেশে একে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়, যেমন  “ হিমায়িত কাষ্টার্ড ” ,  “ হিমায়িত দই ” , “ শরবত ” ,  “ গিলাতো ” ,  “ মালাই ”  ইত্যাদি। আবার অনেক দেশে আইসক্রিম শব্দটিকে অক্ষরের বেশ কম করে ভিন্নভাবে উচ্চারণ করা হয়। আইসক্রিম এর প্রধান উপাদান হচ্ছে বরফ, সেজন্য এটা খাওয়ার পর সর্দিতে আক্রান্ত হবার ভয় থাকে। আইসক্রিম প্রথম কবে কিভাবে উদ্ভাবিত হয়েছে এব্যাপারে রয়েছে প্রচলিত বিভিন্ন গল্প। পারস্য সা...

পায়ের পোষাক- জুতার ইতিহাস!!

পায়ের পোশাক জুতার ইতিহাস সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮   - আবিস্কার - সূচনা আমাদের নিত্য ব্যবহার্য একটি বিশেষ বস্তু হচ্ছে জুতা। পায়ের নিরাপত্তা ও ক্ষতিকারক জিনিস হতে পা ’ কে নিরাপদ রাখতে আমরা পায়ে জুতা ব্যবহার করি। জুতা ব্যবহারের ইতিহাস খুব বেশী নতুন নয়। একটা সময় মানুষ জুতা ব্যবহার করতো না বরং তারা খালি পায়ে জীবন যাপন করতো। মানুষের চাহিদা ও সময়ের প্রয়োজনে জুতার আবিষ্কার হয়েছে। বর্তমানে জুতা একটি ফ্যাশন। কালের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে হরেক রকম জুতা দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে জুতাকে বিভিন্ন নাম ও ভাষায় ডাকাও হয়। যেমন বলা হয় স্যান্ডেল ,  চটি ,  স্যু ,  চপ্পল ,  ফুটওয়ার ,  ফুটকেয়ার ইত্যাদি। আমাদের সমাজ সভ্যতায় জুতার আগমন   কিভাবে ঘটেছে আমরা হয়তো অনেকেই তা জানিনা। আসুন আমরা আজকে সে সম্পর্কে জানার   চেষ্টা করি। ১৭০০ শতকের দিকে কাঠের তৈরি খড়ম ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। সেই হিসেবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কল্পনা মিশিয়ে  ' জুতা আবিষ্কার '  কাহিনী বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেছেন  ' পথ   হাঁটতে গিয়...

মহাদেশ সমূহের নামকরণ যেভাবে!!!

মহাদেশ সমূহের নামকরণ যেভাবে সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮   - আবিস্কার আমাদের এই মহাবিশ্ব একটিই। তবে এর মধ্যে রয়েছে অনেক গুলো আঞ্চলিক বিভেদ। আর এই বিভেদগুলোর মধ্যে মহাদেশ সবচেয়ে বড়। আঞ্চলিক বিভেদ হিসেবে সমগ্র পৃথিবীকে ৭টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেগুলো হলো- এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও এন্টার্কটিকা। এই মহাদেশগুলোর মধ্যে এশিয়া আয়তনে সবচেয়ে বড়। জনসংখ্যার দিক থেকেও এশিয়া সর্ববৃহৎ আর সবচেয়ে ছোট এন্টার্কটিকা। মহাদেশ সম্পর্কে আমরা বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সবাই কম-বেশী জানি। তবে আমরা কি জানি কিভাবে এলো মহাদেশ গুলোর এই নাম বা মহাদেশগুলোর নাম এমন হলো কিভাবে? আসুন জানার চেষ্টা করি। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মহাদেশ এশিয়ার নামকরণ করা হয়েছে ‘আসিরিয়ান’ বা ‘আসু’ শব্দ থেকে। রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের নাম ছিল আসিরিয়ান, আর সেই নাম থেকেই এই মহাদেশের নামকরণ করা হয়েছে ‘এশিয়া’। ইউরোপ মহাদেশের নামকরণ কিভাবে হয়েছে সে বিষয়ে সঠিক কোনও তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি, তবে ধারনা করা হয় ইউরোপে  প্রচুর মালভূমি আছে আর এই মালভূমিকে নির্দিষ্ট করতে এই মহাদ...