Skip to main content

Posts

Showing posts with the label বিজ্ঞান

ড্রাই আইস কী?

ড্রাই আইস আকর্ষ ণ  সৃষ্টির জন্যে বিভিন্ন সময় গানের স্টেজে অথবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় কুয়াশার মত ধোঁয়া দেখতে পাই আমরা। এটা আসলে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ নামেই পরিচিত। তার মানে কি এটা কঠিন পানি? কিন্তু পানি কঠিন হলে কি সেটা ধোঁয়ার মত উড়বে? ড্রাই আইস প্রথমে ড্রাই আইস কি সেটা বলি। সহজে বললে, শুষ্ক কার্বন-ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপকেই ড্রাই আইস বলে। অনেক কম তাপমাত্রায় এবং কম চাপে (−56.4 °C তাপমাত্রা এবং 5.13 atm চাপে) গ্যাসীয় কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে রেখে দিলে সেটি তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি কঠিন পদার্থের আকার ধারণ করে। এই কঠিন পদার্থটিই আসলে ড্রাই আইস বলে আমরা জানি। তাহলে এই কঠিন পদার্থটি আবার ধোঁয়ার মতই উড়বে কিভাবে? আসলে ড্রাই আইসকে যখন উষ্ণ ও গরম পানির সংস্পর্শে আনা হয়, তখন মেঘের মত দেখতে শুভ্র ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এই সাদা ধোঁয়াটি কিন্তু কার্বন-ডাই-অক্সাইড নয়, অধিক ঘনমাত্রার পানির বাষ্পের সাথে মিশ্রিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড। ব্যাপার হচ্ছে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডার ফলে গরম পানির বাষ্প ঘনীভূত হয়ে এমন আকার ধারণ করে। কার্বন-ডাই-অক্সাইড বাহিত এই কুয়াশাটা অনেক ভারী হয়, তা...

সানস্ক্রিন কিভাবে সূর্যের আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করে ?

সানস্ক্রিনঃ মানুষ সুন্দরের পূজারী। কম বেশি আমরা সবাই রূপ সচেতন। ত্বকের যত্নে মানুষ অনেক রূপচর্চাও করে থাকে। আর এই ত্বকের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকারক হল সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি। অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা পাবার একটি উপায় হল  সানস্ক্রিন(sunscreen)  অথবা sunblock ব্যবহার করা। বিশেষ করে শীতকালে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে  সানস্ক্রিন  অথবা sunblock এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়। কিন্তু এই sunscreen বা sunblock ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর আলোকরশ্মি থেকে রক্ষা করে কিভাবে? সানস্ক্রিন এই sunscreen ও sunblock শুনতে একই ধরণের মনে হলেও এবং এদের কাজের ধরণ একইরকম হলেও, এদের কাজ করার পদ্ধতিতে রয়েছে কিছুটা ভিন্নতা।  সানস্ক্রিন  জৈব এবং অজৈব রাসায়নিক পদার্থে তৈরি, যা ত্বকের উপর প্রলেপ সৃষ্টি করে। এ কারণে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে পারেনা। অন্যদিকে,  sunblock  অতিবেগুনি রশ্মিকে ত্বক থেকে প্রতিফলিত করে, যার ফলে এই রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে অক্ষম। কারণ,প্রতিফলনের ফলে এটি ত্বক পর্যন্ত পৌছাতেই পা...

কৃত্রিম বৃষ্টি

কৃত্রিম বৃষ্টি বৃষ্টির  উপকারিতা বলে শেষ করা যাবেনা । প্রচণ্ড গরমে এক পশলা বৃষ্টি স্বস্তির পরশ বুলিয়ে দেয় ।আবার ফসল ফলানোর জন্য হাহাকার উঠে কৃষকের মনে বৃষ্টির জন্য । কেমন হয় যদি কৃত্রিমভাবে করা যায় বৃষ্টিপাত । ঠিক এই কথাই প্রথম ভেবেছিলেন মার্কিন বিজ্ঞানী ভিনসেন্ট শায়েফার। তিনি বাতাসের জলীয় বাষ্পকে জমাট বাঁধিয়ে মেঘ বানাতে ব্যবহার করেছিলেন জমাট বাঁধা কার্বন ডাই অক্সাইডের টুকরা (ড্রাই আইস: Dry Ice)। তিনি বার্কশায়ার পাহাড়ের কাছে ড্রাই আইস ছুঁড়ে দিয়ে তুলোর মতো মেঘ বানাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই তাঁকেই কৃত্রিম মেঘের জনক বলা হয়ে থাকে। সূর্যের তাপে বিভিন্ন পুকুর, নদী, সাগরের পানি জলীয়বাষ্পে পরিনত হয় । সেই জলীয় বাষ্প হালকা হওয়ার কারণে উপরে উঠে গিয়ে বাতাসের ধূলিকণা, বালুর কণা ইত্যাদির সহায়তায় জমাটবদ্ধ হয়ে তৈরি করে মেঘ। এভাবে মেঘের আকৃতি বড় হতে হতে যখন ভারি হয়ে যায়, তখন হয় বৃষ্টি। এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াটিকে মানবনিয়ন্ত্রীত পন্থায় করাকেই বলা হচ্ছে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত। কৃত্রিম বৃষ্টিপাতে, কখনও পুরো প্রক্রিয়াটি, কখনও তার আংশিক (জলীয় বাষ্পকে মেঘে রূপান্তর) নিয়ন্ত্র...

মোবাইল ফোনের টাওয়ার এবং কলিং সিস্টেম

মোবাইল ফোনের টাওয়ার এবং কলিং সিস্টেম আপনারা সবাই তো   মোবাইল   ব্যবহার করেন তাইনা? এটি আমাদের নিত্যদিনের নানা কাজকে করে তুলেছে অনেক সহজ এবং গতিময়। তার সাথে এর খারাপ প্রভাবও অনেক। যত কিছুই হোক মোবাইল বিজ্ঞানের এক চরম আবিষ্কার। এটি ছাড়া বর্তমান দুনিয়ায় আমরা পুরোই অচল। ইন্টারনেট জগত সহ নানান কাজে এটি এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা সবাই মোবাইল ব্যবহার করলেও এটি কিভাবে কাজ করে, ফোন কিভাবে আমরা করতে পারি, এসব সম্পর্কে আমরা কয়জনই বা জানি? আমিও নিজেও খুব একটা জানিনা। তবে যা জানি তার থেকে কয়েকটি কথা শেয়ার করি। যাতে সবাই কিছুটা জানতে পারি। টেকনিক্যাল টার্ম থাকুক, এমনিতেই বলি। আমাদের আশে পাশে অনেক  মোবাইল টাওয়ার  দেখি আমরা। আমরা যেখানেই থাকিনা কেন আমরা কোন না কোন টাওয়ারের আয়ত্ত্বে থাকি। যে কোন একটি টাওয়ারের আয়ত্ত্বে থাকি আমরা, কখনোই একইসাথে ২টা বা এর অধিক টাওয়ারের আয়ত্ত্বে নয়। আমরা যে টাওয়ারের আয়ত্ত্বে থাকি সে টাওয়ারে আমাদের ফোন নাম্বার লিপিবদ্ধ থাকে, যা ওই টাওয়ার একটি সাব-ডিবিশান টাওয়ারকে জানিয়ে দেয়। অনেকগুলো টাওয়ার একটি সাব-ডিবিশান টাওয়ারের আয়ত্ত্বে থাক...

আগুন! আগুন! আগুন! কি এই আগুন???

আগুন! আগুন! আগুন! কি এই আগুন??? শিরোনামটা   দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কোথাও আগুন লাগেনি। আমাদের আশেপাশে বিভিন্ন সময় ঘরবাড়ি বা কোন প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগার কারণে আমাদের মাঝে অগ্নি ভীতি ঢুকে গিয়েছে। তবে এই আগুন আমাদের পূর্বপুরুষেরা আবিষ্কার করেছে বলেই আজ আমরা এই বিলাসিতাপূর্ণ আধুনিক যুগে বসবাস করতে পারছি, একথা নিঃসন্দেহে সবাই স্বীকার করবেন। কিন্তু এই আগুন সম্পর্কে আমাদের ধারণা কতটুকু আছে? দেখি বলুন তো, আগুন  কি? এটা কি তরল, কঠিন, নাকি গ্যাসীয় পদার্থ? আগুন থাক, আপনাদেরকে আর বেশি চিন্তা করতে না বলে আমি নিজেই এ সম্পর্কে কিছু প্যাঁচাল পাড়ার চেষ্টা করি। প্রাচীন গ্রীক অ্যালকেমিস্টরা আগুনকে একটি মৌল পদার্থ ভাবতো। তারা মাটি, বায়ু, পানিকেও মৌল উপাদান হিসেবে বিবেচনা করতো। কিন্তু মৌল পদার্থের আধুনিক সংজ্ঞা থেকে আমরা জানি, এগুলোর কোনোটিই মৌল নয়, বরং এরা বিভিন্ন মৌলের সমন্বয়ে গঠিত। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে, আগুন হলো উত্তপ্ত গ্যাসের মিশ্রণ। এটি সৃষ্টি হয় রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে, যা প্রধানত বাতাসের মধ্যকার অক্সিজেন এবং বিভিন্ন ধরণের জ্বালানীর মধ্যে সংঘটিত হয়। এসব বিক্রিয়ার উৎপাদ হ...

রেডিও টেলিস্কোপ বা বেতার দূরবীক্ষণ।

রেডিও টেলিস্কোপ বা বেতার দূরবীক্ষণ । By- হিমাংশু কর সেপ্টেম্বর 26, 2018 অ্যাস্ট্রোনমি(Astronomy) বা জ্যোতির্বিদ্যার কাজ হল মহাকাশের কোন বস্তুর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা।পারতপক্ষে জ্যোতির্বিদ্যার কাজ শুধুমাত্র মহাকাশের কোন বস্তুর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করাই না বরং জ্যোতির্বিদ্যার মাধ্যমেই আমরা মহাবিশ্বের গঠন ও সৃষ্টিতত্ত(Cosmology) সম্পর্কে জানতে পারি।আর এই অ্যাস্ট্রোনমি(Astronomy) বা জ্যোতির্বিদ্যার সবচে বড় হাতিয়ার হল টেলিস্কোপ বা  দূরবীক্ষণ।কিন্তু সব রকম টেলিস্কোপ দিয়ে তো আর মহাকাশের সব বস্তু দেখতে পাওয়া যায় না।মহাকাশের কোন কোন  বস্তুর সম্পর্কে তথ্য নিতে গেলে আমরা শুধুমাত্র আলোক টেলিস্কোপ দ্বারা তা পারব না।আলোক টেলিস্কোপ  হল সেই টেলিস্কোপ যেগুলো আলোক রশ্নি ব্যবহার করে কাজ করে।কিন্তু মহাকশের বিশেষ কিছু জায়গা থেকে আলো সরাসরি আমাদের পৃথিবীতে আসতে পারে না অনেক সময়।এর জন্য দায়ী হল কসমিক ধুলো বা মহাজাগতিক ধুলো ও অন্যান্য মহাকাশীয় বাধা।কিন্তু বেতার তরঙ্গ যেহেতু অনেক বাধা অতিক্রম করতে পারে তাই কসমিক ধুলা ও অন্যান্য বাধার মাঝেও অনেক উৎসের খোঁজ পাওয়া যায়, যা সাধারনত অপ...