Skip to main content

৪জি উপলক্ষে ফ্রি ইন্টারনেট অফার!

৪জি উপলক্ষে ফ্রি ইন্টারনেট অফার!


সংগৃহীত- বিভাগ- টিপস & ট্রিকস পোস্টেড- 10 অক্টোবর, 2018
বাংলাদেশে ৪জি চালু হওয়া উপলক্ষে বিনামূল্যে ইন্টারনেট ডেটা অফার করছে গ্রামীণফোন, রবি ও এয়ারটেল। চলুন জেনে নিই অফারগুলোর বিস্তারিত।

গ্রামীণফোন ফ্রি ৪জি ইন্টারনেট অফার

গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ১১০ টাকা দিয়ে বিদ্যমান সিম রিপ্লেস করে ৪জি সিম নিলে ১.৫জিবি ডেটা ফ্রি পাবেন, যা ২জি-৩জি-৪জি যেকোনো নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে। এই ডেটার মেয়াদ ৭ দিন। গ্রাহকরা *121*1*4# ডায়াল করে তাদের ব্যালেন্স জানতে পারবেন।

রবি ফ্রি ৪জি ইন্টারনেট অফার

৪জি নেটওয়ার্কে থাকা রবি গ্রাহকরা ৪জি সিমযুক্ত ৪জি সেট থেকে একটানা ৪ দিন মোট ৪জিবি ফ্রি ৪জি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। রবিতে শুধুমাত্র ৪জি গ্রাহকরাই এই অফারটি পাবেন। এক্ষেত্রে পরপর ৪ দিন প্রতিদিন ১জিবি (প্রতিক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টা মেয়াদ) ডেটা উপভোগ করা যাবে। অফারটি উপভোগ করার জন্য *123*44# নম্বর ডায়াল করতে হবে। ইন্টারনেট ব্যালেন্স জানার জন্য ডায়াল করুন *123*3*5# নম্বরে।

এয়ারটেল ফ্রি ৪জি ইন্টারনেট অফার

এয়ারটেল গ্রাহকরা বর্তমান সিম বদলে ৪জি সিম নিলে ২জিবি ফ্রি ইন্টারনেট ডেটা পাবেন, যার মেয়াদ ৭ দিন। সিম বদলানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বোনাস পাওয়া যাবে। ব্যালেন্স জানতে ডায়াল করুন *123*3*5# নম্বরে।
এছাড়া এয়ারটেলে ৩০ টাকার বেশি যেকোনো রিচার্জে পাবেন ১ জিবি 4G ডেটা বোনাস যা শুধুমাত্র ৪জি নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে। একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০০ জিবি 4G বোনাস-এর সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। ব্যালেন্স জানতে ডায়াল করুন *8444*88# নম্বরে।

বাংলালিংকের ৪জি বোনাস ডেটা অফার

এছাড়া বাংলালিংকে শুধুমাত্র পোস্টপেইড সিম রিপ্লেস করে ৪জি পোস্টপেইড সিম নিলে ৭ দিন মেয়াদে ২জিবি ফ্রি ডেটা পাওয়া যাবে।

Comments

Popular posts from this blog

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্প - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - এক বনে ছিল এক হিংস্র বাঘ। সে যেকোনো প্রাণীকে দেখলেই ঝাপিয়ে পড়তো। কাউকে সে মানতো না। একদিন এক নিরীহ হরিণ সেই বাঘের কবলে পড়লো। হরিণটা অনেক যুদ্ধ করেও পালাতে পারলো না। বাঘ মাত্র ওকে সুবিধামতো কামড় বসাবে। এমন সময় হরিণের মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। হরিণ বলল, “ওহে বাঘ। তুমিতো সবাইকেই খাও। আমায় না হয় ছেড়ে দাও। আমার মাংস খেলে তোমার একটুও পেট ভরবে না। তার চেয়ে বরং বিনিময়ে আমি তোমাকে অনেকগুলো গরু দিবো। তা দিয়ে এক মাস চলে যাবে তোমার।” বাঘ কথাটা শুনে ভেবে দেখল কথাটাতো মন্দ না। তাই সে হরিণটাকে ছেড়ে দিল। পরে হরিণ চলে গেল সেখান থেকে। আর বাঘ তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু চালাক হরিণকে আর পায় কে? হরিণতো তার উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনে রক্ষা পেল। তাই গায়ের জোর না থাকলেও বুদ্ধির জোর সবচেয়ে দামি। এই গল্প থেকে আমরা অনেকগুলো শিক্ষা নিতে পারি: 1। কাউকে সহজেই বিশ্বাস করা ঠিক না। সহজেই বিশ্বাস করাটা বোকামি। 2। বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে বরং ভয়টাকে জয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। 3। গায়ের শক্তি না থাকলেও বুদ্ধির জোর দিয়ে ...

ড্রাই আইস কী?

ড্রাই আইস আকর্ষ ণ  সৃষ্টির জন্যে বিভিন্ন সময় গানের স্টেজে অথবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় কুয়াশার মত ধোঁয়া দেখতে পাই আমরা। এটা আসলে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ নামেই পরিচিত। তার মানে কি এটা কঠিন পানি? কিন্তু পানি কঠিন হলে কি সেটা ধোঁয়ার মত উড়বে? ড্রাই আইস প্রথমে ড্রাই আইস কি সেটা বলি। সহজে বললে, শুষ্ক কার্বন-ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপকেই ড্রাই আইস বলে। অনেক কম তাপমাত্রায় এবং কম চাপে (−56.4 °C তাপমাত্রা এবং 5.13 atm চাপে) গ্যাসীয় কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে রেখে দিলে সেটি তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি কঠিন পদার্থের আকার ধারণ করে। এই কঠিন পদার্থটিই আসলে ড্রাই আইস বলে আমরা জানি। তাহলে এই কঠিন পদার্থটি আবার ধোঁয়ার মতই উড়বে কিভাবে? আসলে ড্রাই আইসকে যখন উষ্ণ ও গরম পানির সংস্পর্শে আনা হয়, তখন মেঘের মত দেখতে শুভ্র ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এই সাদা ধোঁয়াটি কিন্তু কার্বন-ডাই-অক্সাইড নয়, অধিক ঘনমাত্রার পানির বাষ্পের সাথে মিশ্রিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড। ব্যাপার হচ্ছে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডার ফলে গরম পানির বাষ্প ঘনীভূত হয়ে এমন আকার ধারণ করে। কার্বন-ডাই-অক্সাইড বাহিত এই কুয়াশাটা অনেক ভারী হয়, তা...

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল)

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল) অক্টোবর 01, 2018 : বিভাগ- ভৌতিক / ভয়ংকর গল্প গল্প লিখেছেন :  সংগ্রহীত তখন আমি সিলেট বিভাগের জেলা ছাতকের খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকতা। আমাদের অফিসটা ছিল সুরমা নদী কোল ঘেষে। গাছগাছালী ঘেরা ছায়া মনোরম এক পরিবেশ । আমার অফিস থেকে একটু হেটে কিছুদুর গেলেই সুরমা নদীর পাড়ে ঘেষে একটা শশ্মান। ঐ শশ্মানে একটা মানুষ প্রমান কালীর মূর্তি ছিল । কালীর মূর্তিটার সারা শরীর ছিল কালো রংয়ের ছিল । পরনেও ছিল কালো রংয়ের একটা শাড়ি। পিছনে কালো এলোমেলো চুল গুলো নিতম্ব ছেড়ে নিচে নেমেছে। এক হাতে ত্রিশুল , আরেক হাতে একটা সাপ । মুখ থেকে অনেকটা বেরিয়ে থাকা লাল রংয়ের জিব্হাটা মুখ থেকে ভয়ংকর ভাবে বের হয়ে বুক ছুয়েছে। চোখ দুটি টকটকে লাল। ভয়ংকর ভাবে তাকিয়ে আছে । হঠাৎ দেখলে চমকে উঠতে হয়। দিনের বেলা মুর্তিটাকে দেখলে তেমন একটা ভয় লাগত না , কিন্তু সন্ধ্যা বেলা পড়ন্ত সূর্যের আলোয় দেখলে বুকের ভিতর অজানা এক ভয়ের শিহরন জাগত। তখন মনে হত ওটা মুর্তি নয়, সত্যি জীবন্ত ভয়ংকর এক মানবী । আমি শিহরীত হওয়ার জন্য প্রায় সন্ধ্যা বেলায় যেতাম। আমার এভাবে ওই সময় প্রায় যেতে দেখে অফিসের দাড়োয়ান একদিন ব...