Skip to main content

ভবিষ্যত প্রযুক্তি

ভবিষ্যত প্রযুক্তি

১) কালি মোছার প্রিন্টার
 কালি মোছার প্রিন্টার
কাগজে ছাপার কালিতে ভুল পেলে তা শোধরাতে আমরা বিশেষ ফ্লুইড ব্যবহার করি সাধারণত। কিন্তু তাতে করে কাগজের ওপরে বেশ একটা স্তর পড়ে যায় সাদা রঙের। সেই কারণেই হয়তো ডিজাইনার Kim Su Yeon ডেভেলপ করতে চেয়েছেন এমন এক প্রিন্টার যা কাগজে থেকে নিখুঁতভাবে ছাপার কালি মুছে ফেলবে!! ভুল লেখা প্রিন্ট হলেও সমস্যা নেই,সম্পূর্ণ কালি মুছে আবার নতুন করে প্রিন্ট নিন। বিষয়টা কেমন অস্বাভাবিক না? হ্যাঁ, বিষয়টা এমনই যে এটি সাদা কাগজকে তার পূর্বের রূপে ফিরিয়ে দেবে। এতে করে কাগজকে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করা যাবে আর কি! তবে এটা শুধু সম্পূর্ণ কাগজকে সাদা করতে পারবে, কাগজের নির্দিষ্ট কোন অংশের কালি দূর করতে হলে হয়তো আরো নতুন কিছুর অপেক্ষা করতে হবে আমাদের।
২)পাঁচ আঙুলের মাউস
জাপানীজ কোম্পানী Double Research & Development Co. এক নতুন ধরনের ইনপুট ডিভাইস নির্মাণ করছে যা মাউসের মতোই কম্পিউটারে ইনপুট দেবে যার নাম Amenbo. এটি একটি পাঁচ আঙুলের ইনপুট ডিভাইস যা প্রতিটি আঙুলের নড়াচড়া এবং চাপ আলাদাভাবে সনাক্ত করতে পারে।
 ভবিষ্যত প্রযুক্তি- পাঁচ আঙ্গুলের মাউস-১
ভবিষ্যত প্রযুক্তি- পাঁচ আঙ্গুলের মাউস-২
ভবিষ্যত প্রযুক্তি- পাঁচ আঙ্গুলের মাউস-৩
যন্ত্রটির প্রতিটি Fingertip অংশেই বিশেষ সেন্সর লাগানো আছে যাতে করে সবগুলো আঙুলের প্রদত্ত কমান্ড একসাথে রিসিভ করতে পারে, বিশেষ করে গেমস কমান্ডের ক্ষেত্রে এক হাত ব্যবহার করেই অনেক কাজ খুব সহজে করা যাবে নির্বিঘ্নে।
ভবিষ্যত প্রযুক্তি- পাঁচ আঙ্গুলের মাউস-৪
ডিভাইসটির প্রতিটি আঙুল নমনীয় জালের মতো তারের মাধ্যমে সংযুক্ত যাতে করে বিভিন্ন মাপের আঙুলের নড়াচড়ার জন্য এটি সম্প্রসারিত হতে পারে।

৩) পোর্টেবল প্রিন্টার
এখন প্রযুক্তির সব কিছুতেই পোর্টবল হবার বিশেষ টান। বিশেষ করে সফটওয়্যারগুলোর পোর্টেবল ভার্সন তো তুমুল জনপ্রিয় আজকাল। তো সেক্ষেত্রে আর হার্ডওয়্যাররই বা বাদ যাবে কেন? পোর্টেবল যুগে চলে আসছে পোর্টেবল প্রিন্টার। না বহনযোগ্য কোন বিশাল প্রিন্টার না,নিতান্তই ছোট ডিভাইস এটা।
পোর্টেবল-প্রিন্টার-১
সামান্য পরিমান প্রিন্টিং লোড নিতে পারে এটি। ২৩ সে.মি X ৬ সে.মি আকারের কাগজই এটার জন্য সঠিক। ডিভাইসটির একপাশে আছে Slot type cartridge প্রবেশের জন্য বিশেষ স্লট। আর একপাশে আছে USB পোর্ট। আর হ্যাঁ, OLED (Organic Light Emitting Diode) নামক বিশেষ এলইডির সাহায্যে কতটুকু প্রিন্ট হয়েছে তা প্রিন্টারের উপরে ডিসপ্লে হবে।
পোর্টেবল-প্রিন্টার-২
পোর্টেবল-প্রিন্টার-৩

-----------------------------------------------------------------------------
লিখাটি নিয়ে আপনার মতামত কি?

Comments

Popular posts from this blog

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্প - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - এক বনে ছিল এক হিংস্র বাঘ। সে যেকোনো প্রাণীকে দেখলেই ঝাপিয়ে পড়তো। কাউকে সে মানতো না। একদিন এক নিরীহ হরিণ সেই বাঘের কবলে পড়লো। হরিণটা অনেক যুদ্ধ করেও পালাতে পারলো না। বাঘ মাত্র ওকে সুবিধামতো কামড় বসাবে। এমন সময় হরিণের মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। হরিণ বলল, “ওহে বাঘ। তুমিতো সবাইকেই খাও। আমায় না হয় ছেড়ে দাও। আমার মাংস খেলে তোমার একটুও পেট ভরবে না। তার চেয়ে বরং বিনিময়ে আমি তোমাকে অনেকগুলো গরু দিবো। তা দিয়ে এক মাস চলে যাবে তোমার।” বাঘ কথাটা শুনে ভেবে দেখল কথাটাতো মন্দ না। তাই সে হরিণটাকে ছেড়ে দিল। পরে হরিণ চলে গেল সেখান থেকে। আর বাঘ তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু চালাক হরিণকে আর পায় কে? হরিণতো তার উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনে রক্ষা পেল। তাই গায়ের জোর না থাকলেও বুদ্ধির জোর সবচেয়ে দামি। এই গল্প থেকে আমরা অনেকগুলো শিক্ষা নিতে পারি: 1। কাউকে সহজেই বিশ্বাস করা ঠিক না। সহজেই বিশ্বাস করাটা বোকামি। 2। বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে বরং ভয়টাকে জয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। 3। গায়ের শক্তি না থাকলেও বুদ্ধির জোর দিয়ে ...
মহাবিশ্বের রহস্যাবৃত কিছু ঘটনা (পর্ব-১) সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮   - বিচিত্র - ব্যাতিক্রমী ও রহস্য কাল পরিক্রমায় পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যাতে সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিজ্ঞানীরাও পর্যন্ত অবাক হয়ে যান। যার রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত দিশেহারা হয়ে পড়েন। পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে এমন কিছু র হস্যাবৃত বা আশ্চর্য  ঘটনা ঘটেছে যার রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা ব্যর্থ হয়েছেন। এই ঘটনা গুলো ঘটেছে তারপরই ঘটনা গুলো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও গবেষণা হয়েছে কিন্তু ঘটনাটি কেন ঘটলো বা কি কারণে ঘটলো তার কোন সঠিক ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ পাওয়া যায় নি। ফলে ঘটনাগুলো সবার কাছে শুধুই রহস্য হয়েই রয়ে গেছে।  আসুন আমরা সেই সব আশ্চর্য ঘটনা গুলোর মধ্য থেকে কিছু ঘটনা জানার চেষ্টা করি। ১.  ( হারিয়ে যাওয়া ১০ মিনিট ) এক চমৎকার রৌদ্রজ্জ্বল দিনে আমেরিকার মিয়ামী বিমানবন্দর থেকে এক টি বিমান  বৈমানিক ও যাত্রী নিয়ে আকাশে উড়াল দেয়। নিচে কন্ট্রোল রুম থেকে রাডারের সাহায্যে বিমানটিকে পর্যবেক্ষন করছিলেন অপারেটরগন। হঠাৎ রাডার স্ক্রিন থেকে ব...

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারণা!

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারণা বিগব্যাঙ কি? বিখ্যাত একটি তত্ত্ব। বিজ্ঞানে সর্বাধিক উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি। শুধু তাই না, পৃথিবীর সবচাইতে ভুল ভাবে বোঝা বিষয়গুলোরও একটি হলো বিগব্যাঙ। বিগব্যাঙ সম্পর্কে আমরা সাধারণ মানুষ হয়তো নাম শুনেই যথাযথ সম্মান জানিয়ে দুরে থাকি। কিংবা, এমন কিছু আবছা ধারনা রাখি যা আসলে ভুল, মহাভুল। আমারা যেই মহাবিশ্বে বাস করি তার কিভাবে উৎপত্তি হলো? মহাবিশ্বের সৃষ্টির আগে কি ছিল? এই প্রশ্ন মানুষ অনেক আগে থেকেই করে আসছে। পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে  বিগব্যাঙ  তত্ত্ব এই প্রশ্নের উত্তর দেয়? যদি এরকমটাই ভেবে থাকেন তাহলে এখনই এ ধারণাটা মাথা হতে ঝেড়ে ফেলে দিন! আসলে এই মহাবিখ্যাত তত্ত্বটির মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে কোন মাথাব্যাথা নেই। এই তত্ত্ব আরো যে সব চিরায়ত, অবাক করা প্রশ্ন নিয়ে কাজ করে না সেগুলো হলো: =>  কি, কিংবা কোন শক্তি মহাবিশ্বের উৎপত্তির সূচনা করেছিলো? বিগব্যাঙ নয়, ইনফ্লুশন থিউরী এর একটি ব্যাখ্যা দেয়। =>  বিগব্যাঙের আগে কি ঘটেছিলো? =>  মহাবিশ্বের বাইরে কি আছে? =>  মহাবিশ্বের আকৃতি কেমন? এ বিষয়টি অনেক তত্ত্ব...