Skip to main content

1.85 মাইল দীর্ঘ বিয়ের পোষাক!!!

১.৮৫ মাইল দীর্ঘ বিয়ের পোশাক !



বিশ্ব জুড়ে প্রত্যেক দেশে দেশে বিয়েকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয় নানান ধরনের উৎসবআয়োজন। কিন্তু বর্তমান সময়ে বিয়ে নিয়ে বিভিন্ন রেকর্ড গড়ার উদাহরণও দেখা যায়। যেমন বেশী খরচ করা বিয়ে, ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে, বেশী খরচের বিয়ে, ট্রেনে চড়ে বিয়ে, বাসের ছাদে বিয়ে, স্পিটবোডে বিয়ে, মহাশূন্যে বিয়ে,  ইত্যাদি ইত্যাদি অদ্ভুত রকমের বিয়ে। আর এমনই একটি রেকর্ডময় বিয়ে সংঘটিত হয়েছে রোমানিয়ায়। এই বিয়ের রেকর্ডটি হচ্ছে এই বিয়েতে কনে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পোশাক পরিধান করে বিয়ে করেছেন।

রোমানিয়ার ১৭ বছর বয়সী মডেল কন্যা ইমা ১.৮৫ মাইল দীর্ঘ বিয়ের পোশাক পরে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে স্থান করে নিয়েছেন। বিয়ের পোশাক দিয়ে ১.৮৫ মাইল লম্বা ট্রেন সাজিয়ে এই মডেল এয়ার বেলুন চড়ে রোমানিয়ার রাজধানীবুখারেস্টে গিয়ে এই রেকর্ড গড়েছেন। ৯০২২ ফুট বা ২৭৫০ মিটার দীর্ঘ ওই ট্রেন পোশাকটিতে মডেল ইমার ছবির ছাপ ছিলএর আগে এমন লম্বা ট্রেন পোশাক বানানোর রেকর্ড ছিল এক ডাচ ডিজাইনারের। প্রতিবছর দুবার ওয়েডিং ফেয়ার হয় বুখারেস্টে। আর তাতে অংশগ্রহণের জন্য ট্রেনের মতো করে বিয়ের ড্রেস তৈরি করেন দ্য ন্ড্রে সেলন ফ্যাশন হাউজের কর্মীরা। ১০ জন ডিজাইনার ১০০ দিন কাজ করে ইমার জন্য এমন ট্রেনের আকৃতির পোশাক তৈরি করেছিলেন। লেস ও সিল্কের এক প্রকার বিশেষ কাপড় দিয়ে এই পোশাকটি তৈরি করা হয়। ইতালি ও ফ্রান্স থেকে এসব কাপড় আমদানি করতে ব্যয় করা হয়েছিল কয়েক হাজার পাউন্ড। পোশাকের এমন রেকর্ড গড়ার পিছনে রোমানিয়ানদের ছিল অন্য একটি উদ্দেশ্য। আর সেটি হচ্ছে নেদারল্যান্ডসকে পরাজিত করে রেকর্ডটিনিজেদের করা। কেননা এই রেকর্ডটি পূর্বে নেদারল্যান্ডের ছিল। ওয়েডিং ফেয়ারের একজন আয়োজক বলেননেদারল্যান্ডস আমাদের ইউরোপীয় ইউনিয়নে দেখতে চায় না। তার প্রতিবাদে আমরা তাদের কোনও রেকর্ড বুকে নাম দেখতে চাই না। এই রেকর্ডটি পূর্বে তাদের ছিল আর আমরা নতুন রেকর্ড গড়ে তাদের বিশ্ব রেকর্ড থেকে বের করে দিলাম। রেকর্ডটি নিজেদের করতে পেরে রোমানিয়ানরা খুবই খুশি, তারা আরও খুশি নেদারল্যান্ডের রেকর্ড ভাঙ্গতে পেরে।

----সংগ্রহকৃত।

Comments

Popular posts from this blog

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্প - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - এক বনে ছিল এক হিংস্র বাঘ। সে যেকোনো প্রাণীকে দেখলেই ঝাপিয়ে পড়তো। কাউকে সে মানতো না। একদিন এক নিরীহ হরিণ সেই বাঘের কবলে পড়লো। হরিণটা অনেক যুদ্ধ করেও পালাতে পারলো না। বাঘ মাত্র ওকে সুবিধামতো কামড় বসাবে। এমন সময় হরিণের মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। হরিণ বলল, “ওহে বাঘ। তুমিতো সবাইকেই খাও। আমায় না হয় ছেড়ে দাও। আমার মাংস খেলে তোমার একটুও পেট ভরবে না। তার চেয়ে বরং বিনিময়ে আমি তোমাকে অনেকগুলো গরু দিবো। তা দিয়ে এক মাস চলে যাবে তোমার।” বাঘ কথাটা শুনে ভেবে দেখল কথাটাতো মন্দ না। তাই সে হরিণটাকে ছেড়ে দিল। পরে হরিণ চলে গেল সেখান থেকে। আর বাঘ তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু চালাক হরিণকে আর পায় কে? হরিণতো তার উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনে রক্ষা পেল। তাই গায়ের জোর না থাকলেও বুদ্ধির জোর সবচেয়ে দামি। এই গল্প থেকে আমরা অনেকগুলো শিক্ষা নিতে পারি: 1। কাউকে সহজেই বিশ্বাস করা ঠিক না। সহজেই বিশ্বাস করাটা বোকামি। 2। বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে বরং ভয়টাকে জয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। 3। গায়ের শক্তি না থাকলেও বুদ্ধির জোর দিয়ে ...

ড্রাই আইস কী?

ড্রাই আইস আকর্ষ ণ  সৃষ্টির জন্যে বিভিন্ন সময় গানের স্টেজে অথবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় কুয়াশার মত ধোঁয়া দেখতে পাই আমরা। এটা আসলে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ নামেই পরিচিত। তার মানে কি এটা কঠিন পানি? কিন্তু পানি কঠিন হলে কি সেটা ধোঁয়ার মত উড়বে? ড্রাই আইস প্রথমে ড্রাই আইস কি সেটা বলি। সহজে বললে, শুষ্ক কার্বন-ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপকেই ড্রাই আইস বলে। অনেক কম তাপমাত্রায় এবং কম চাপে (−56.4 °C তাপমাত্রা এবং 5.13 atm চাপে) গ্যাসীয় কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে রেখে দিলে সেটি তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি কঠিন পদার্থের আকার ধারণ করে। এই কঠিন পদার্থটিই আসলে ড্রাই আইস বলে আমরা জানি। তাহলে এই কঠিন পদার্থটি আবার ধোঁয়ার মতই উড়বে কিভাবে? আসলে ড্রাই আইসকে যখন উষ্ণ ও গরম পানির সংস্পর্শে আনা হয়, তখন মেঘের মত দেখতে শুভ্র ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এই সাদা ধোঁয়াটি কিন্তু কার্বন-ডাই-অক্সাইড নয়, অধিক ঘনমাত্রার পানির বাষ্পের সাথে মিশ্রিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড। ব্যাপার হচ্ছে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডার ফলে গরম পানির বাষ্প ঘনীভূত হয়ে এমন আকার ধারণ করে। কার্বন-ডাই-অক্সাইড বাহিত এই কুয়াশাটা অনেক ভারী হয়, তা...

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল)

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল) অক্টোবর 01, 2018 : বিভাগ- ভৌতিক / ভয়ংকর গল্প গল্প লিখেছেন :  সংগ্রহীত তখন আমি সিলেট বিভাগের জেলা ছাতকের খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকতা। আমাদের অফিসটা ছিল সুরমা নদী কোল ঘেষে। গাছগাছালী ঘেরা ছায়া মনোরম এক পরিবেশ । আমার অফিস থেকে একটু হেটে কিছুদুর গেলেই সুরমা নদীর পাড়ে ঘেষে একটা শশ্মান। ঐ শশ্মানে একটা মানুষ প্রমান কালীর মূর্তি ছিল । কালীর মূর্তিটার সারা শরীর ছিল কালো রংয়ের ছিল । পরনেও ছিল কালো রংয়ের একটা শাড়ি। পিছনে কালো এলোমেলো চুল গুলো নিতম্ব ছেড়ে নিচে নেমেছে। এক হাতে ত্রিশুল , আরেক হাতে একটা সাপ । মুখ থেকে অনেকটা বেরিয়ে থাকা লাল রংয়ের জিব্হাটা মুখ থেকে ভয়ংকর ভাবে বের হয়ে বুক ছুয়েছে। চোখ দুটি টকটকে লাল। ভয়ংকর ভাবে তাকিয়ে আছে । হঠাৎ দেখলে চমকে উঠতে হয়। দিনের বেলা মুর্তিটাকে দেখলে তেমন একটা ভয় লাগত না , কিন্তু সন্ধ্যা বেলা পড়ন্ত সূর্যের আলোয় দেখলে বুকের ভিতর অজানা এক ভয়ের শিহরন জাগত। তখন মনে হত ওটা মুর্তি নয়, সত্যি জীবন্ত ভয়ংকর এক মানবী । আমি শিহরীত হওয়ার জন্য প্রায় সন্ধ্যা বেলায় যেতাম। আমার এভাবে ওই সময় প্রায় যেতে দেখে অফিসের দাড়োয়ান একদিন ব...