Skip to main content

এক নজরে বাংলাদেশের সকল জেলার বিখ্যাত খাবার ও বস্তুর নাম।

এক নজরে বাংলাদেশের সকল জেলার বিখ্যাত খাবার ও বস্তুর নাম।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা বিভিন্ন বিখ্যাত খাবার ও বস্তুর জন্য বেশ পরিচিত।

এর মধ্যে আমরা কিছু জেলার খাবারের নাম জানলেও সব জেলার বিখ্যাত খাবার ও বস্তুর নাম জানিনা।

তাই জেনে নিন বাংলাদেশের ৪৮ টি জেলার বিখ্যাত সব খাবারের নাম ও বস্তুর নাম।

০১) চাঁদপুর —ইলিশ এর জন্য বিখ্যাত।
০২) রাজশাহী —আম, রাজশাহী ও সিল্ক শাড়ী এর জন্য বিখ্যাত।
০৩) টাঙ্গাইল —চমচম ও টাংগাইল শাড়ি’র জন্য বিখ্যাত।
০৪) দিনাজপুর—লিচু,কাটারি ভোগ চাল, চিড়া এবং পাপড় এর জন্য বিখ্যাত।
০৫) বগুড়া— দই এর জন্য বিখ্যাত।
০৬) ঢাকা— বেনারসী শাড়ি ও বাকরখানি’র জন্য বিখ্যাত।
০৭) কুমিল্লা —রসমালাই, খদ্দর(খাদী)এর জন্য বিখ্যাত।
০৮) চট্রগ্রাম— মেজবান ও শুটকি’র জন্য বিখ্যাত।
০৯) খাগড়াছড়ি—হলুদ’র জন্য বিখ্যাত।
১০) বরিশাল — আমড়া’র জন্য বিখ্যাত।
১১) খুলনা —সুন্দরবন, সন্দেশ,নারিকেল এবং গলদা চিংড়ি’র জন্য বিখ্যাত।
১২) সিলেট — কমলালেবু, চা,সাতকড়ার আচার’র জন্য বিখ্যাত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেট সফরে এসে সাতকড়ার তরকারী খেয়ে প্রশংসা করেছিলেন এবং সাথে করে ঢাকায় নিয়ে গিয়েছিলেন।
১৩) নোয়াখালী—নারকেল নাড়ু় ও ম্যাড়া পিঠা’র জন্য বিখ্যাত।
১৪) রংপুর —তামাক ও ইক্ষু (আখ) এর জন্য বিখ্যাত।
১৫) গাইবান্ধা — রসমঞ্জরী’র জন্য বিখ্যাত।
১৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — আম,শিবগঞ্জের’চমচম, কলাইয়ের রুটি’র জন্য বিখ্যাত।
১৭) পাবনা — ঘি ও লুঙ্গি এবং পাগলাগারদ’র জন্য বিখ্যাত।
১৮) সিরাজগঞ্জ — পানিতোয়া ও ধানসিড়িঁর দই’র জন্য বিখ্যাত।
১৯) গাজীপুর — কাঁঠাল ও পেয়ারা’র জন্য বিখ্যাত।
২০) ময়মনসিংহ— মুক্তা-গাছার মন্ডা’র জন্য বিখ্যাত।
২১) কিশোরগঞ্জ — বালিশ মিষ্টি ও নকশি পিঠা’র জন্য বিখ্যাত।
২২) জামালপুর — ছানার পোলাও ও ছানার পায়েস’র জন্য বিখ্যাত।
২৩) শেরপুর — ছানার পায়েস ও ছানার চপ’র জন্য বিখ্যাত।
২৪) মুন্সীগঞ্জ—ভাগ্য কুলের মিষ্টি’র জন্য বিখ্যাত।
২৫) নেত্রকোনা —বালিশ মিষ্টি’র জন্য বিখ্যাত।
২৬) ফরিদপুর — খেজুরের গুড়’র জন্য বিখ্যাত।
২৭) রাজবাড়ী—চমচম ও খেজুরের গুড়’র জন্য বিখ্যাত।
২৮) মাদারীপুর —খেজুর গুড় ও রসগোল্লা’র জন্য বিখ্যাত।
২৯) সাতক্ষীরা — সন্দেশ’র জন্য বিখ্যাত।
৩০) বাগেরহাট —চিংড়ি,ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুপারি’র জন্য বিখ্যাত।
৩১) যশোর — খই, খেজুর গুড়,জামতলার মিষ্টি’র জন্য বিখ্যাত।
৩২) মাগুরা — রসমালাই’র জন্য বিখ্যাত।
৩৩) নড়াইল —পেড়ো’সন্দেশ, খেজুর গুড় ও খেজুরের রসের’র জন্য বিখ্যাত।
৩৪) কুষ্টিয়া — তিলের খাজা ও কুলফি আইসক্রিম’র জন্য বিখ্যাত।
৩৫) মেহেরপুর — মিষ্টি সাবিত্রি ও রসকদম্ব এর জন্য বিখ্যাত।
৩৬) চুয়াডাঙ্গা —পান, তামাক ও ভুট্টা’র জন্য বিখ্যাত।
৩৭) ঝালকাঠি — লবন ও আটা’র জন্য বিখ্যাত।
৩৮) ভোলা —নারিকেল ও মহিষের দুধের দই’র জন্য বিখ্যাত।
৩৯) ব্রাহ্মণবাড়িয়া—তালের বড়া,ছানামুখী ও রসমালাইয়ের জন্য বিখ্যাত।
৪০) পিরোজপুর –পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি ও আমড়া’র জন্য বিখ্যাত।
৪১) নরসিংদী— সাগর কলা’র জন্য জন্য বিখ্যাত।
৪২) মৌলভিবাজার — ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা’র জন্য বিখ্যাত।
৪৩) নওগাঁ — চাল ও সন্দেশের জন্য বিখ্যাত।
৪৪) মানিকগঞ্জ—খেজুর গুড়’র জন্য বিখ্যাত।
৪৫) রাঙ্গামাটি —আনারস,কাঠাল,কলার জন্য বিখ্যাত।
৪৬) কক্সবাজার —মিষ্টিপানের জন্য বিখ্যাত।
৪৭) বান্দরবান— হিল জুস, তামাকের জন্য বিখ্যাত।
৪৮) ফেনী—মহিশের দুধের ঘি, সেগুন কাঠ ও খন্ডলের মিষ্টি’র জন্য বিখ্যাত।
তথ্যটি কেমন লাগল? কমেন্ট করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্প - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - এক বনে ছিল এক হিংস্র বাঘ। সে যেকোনো প্রাণীকে দেখলেই ঝাপিয়ে পড়তো। কাউকে সে মানতো না। একদিন এক নিরীহ হরিণ সেই বাঘের কবলে পড়লো। হরিণটা অনেক যুদ্ধ করেও পালাতে পারলো না। বাঘ মাত্র ওকে সুবিধামতো কামড় বসাবে। এমন সময় হরিণের মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। হরিণ বলল, “ওহে বাঘ। তুমিতো সবাইকেই খাও। আমায় না হয় ছেড়ে দাও। আমার মাংস খেলে তোমার একটুও পেট ভরবে না। তার চেয়ে বরং বিনিময়ে আমি তোমাকে অনেকগুলো গরু দিবো। তা দিয়ে এক মাস চলে যাবে তোমার।” বাঘ কথাটা শুনে ভেবে দেখল কথাটাতো মন্দ না। তাই সে হরিণটাকে ছেড়ে দিল। পরে হরিণ চলে গেল সেখান থেকে। আর বাঘ তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু চালাক হরিণকে আর পায় কে? হরিণতো তার উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনে রক্ষা পেল। তাই গায়ের জোর না থাকলেও বুদ্ধির জোর সবচেয়ে দামি। এই গল্প থেকে আমরা অনেকগুলো শিক্ষা নিতে পারি: 1। কাউকে সহজেই বিশ্বাস করা ঠিক না। সহজেই বিশ্বাস করাটা বোকামি। 2। বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে বরং ভয়টাকে জয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। 3। গায়ের শক্তি না থাকলেও বুদ্ধির জোর দিয়ে ...

ড্রাই আইস কী?

ড্রাই আইস আকর্ষ ণ  সৃষ্টির জন্যে বিভিন্ন সময় গানের স্টেজে অথবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় কুয়াশার মত ধোঁয়া দেখতে পাই আমরা। এটা আসলে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ নামেই পরিচিত। তার মানে কি এটা কঠিন পানি? কিন্তু পানি কঠিন হলে কি সেটা ধোঁয়ার মত উড়বে? ড্রাই আইস প্রথমে ড্রাই আইস কি সেটা বলি। সহজে বললে, শুষ্ক কার্বন-ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপকেই ড্রাই আইস বলে। অনেক কম তাপমাত্রায় এবং কম চাপে (−56.4 °C তাপমাত্রা এবং 5.13 atm চাপে) গ্যাসীয় কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে রেখে দিলে সেটি তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি কঠিন পদার্থের আকার ধারণ করে। এই কঠিন পদার্থটিই আসলে ড্রাই আইস বলে আমরা জানি। তাহলে এই কঠিন পদার্থটি আবার ধোঁয়ার মতই উড়বে কিভাবে? আসলে ড্রাই আইসকে যখন উষ্ণ ও গরম পানির সংস্পর্শে আনা হয়, তখন মেঘের মত দেখতে শুভ্র ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এই সাদা ধোঁয়াটি কিন্তু কার্বন-ডাই-অক্সাইড নয়, অধিক ঘনমাত্রার পানির বাষ্পের সাথে মিশ্রিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড। ব্যাপার হচ্ছে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডার ফলে গরম পানির বাষ্প ঘনীভূত হয়ে এমন আকার ধারণ করে। কার্বন-ডাই-অক্সাইড বাহিত এই কুয়াশাটা অনেক ভারী হয়, তা...

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল)

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল) অক্টোবর 01, 2018 : বিভাগ- ভৌতিক / ভয়ংকর গল্প গল্প লিখেছেন :  সংগ্রহীত তখন আমি সিলেট বিভাগের জেলা ছাতকের খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকতা। আমাদের অফিসটা ছিল সুরমা নদী কোল ঘেষে। গাছগাছালী ঘেরা ছায়া মনোরম এক পরিবেশ । আমার অফিস থেকে একটু হেটে কিছুদুর গেলেই সুরমা নদীর পাড়ে ঘেষে একটা শশ্মান। ঐ শশ্মানে একটা মানুষ প্রমান কালীর মূর্তি ছিল । কালীর মূর্তিটার সারা শরীর ছিল কালো রংয়ের ছিল । পরনেও ছিল কালো রংয়ের একটা শাড়ি। পিছনে কালো এলোমেলো চুল গুলো নিতম্ব ছেড়ে নিচে নেমেছে। এক হাতে ত্রিশুল , আরেক হাতে একটা সাপ । মুখ থেকে অনেকটা বেরিয়ে থাকা লাল রংয়ের জিব্হাটা মুখ থেকে ভয়ংকর ভাবে বের হয়ে বুক ছুয়েছে। চোখ দুটি টকটকে লাল। ভয়ংকর ভাবে তাকিয়ে আছে । হঠাৎ দেখলে চমকে উঠতে হয়। দিনের বেলা মুর্তিটাকে দেখলে তেমন একটা ভয় লাগত না , কিন্তু সন্ধ্যা বেলা পড়ন্ত সূর্যের আলোয় দেখলে বুকের ভিতর অজানা এক ভয়ের শিহরন জাগত। তখন মনে হত ওটা মুর্তি নয়, সত্যি জীবন্ত ভয়ংকর এক মানবী । আমি শিহরীত হওয়ার জন্য প্রায় সন্ধ্যা বেলায় যেতাম। আমার এভাবে ওই সময় প্রায় যেতে দেখে অফিসের দাড়োয়ান একদিন ব...