Skip to main content

সিনিয়র বৌ- গল্প


সিনিয়র বৌ

সিনিয়র বৌ
আমি সাকিব। সবেমাত্র কলেজে উঠছি। আজ আমার বড় ভাইয়ার বিয়ে। আমরা সবাই রেডি কিন্তু ভাইয়াকে খুজে পাওয়া গেল না। অনেক খোজার পর ভাইয়ার ঘর থেকে একটা চিঠি পাওয়া গেল। ভাইয়া নাকি তার ভার্সিটির কোন এক মেয়েকে ভালবাসে। সে তাকে ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করবে না। তাই সে বাড়ি থেকে চলে গেছে।
ঐদিকে মেয়ের বাড়ি থেকে ফোন দিচ্ছে, তাদের সব রেডি। বাবা কি করবেন বুঝতে পারলেন না। হঠাত কি মনে করে আবার মেয়ের বাবার কাছে ফোন দিলেন। তারপর আরেক পাশে চলে গেলেন। তাদের ভিতর কি কথা হল আমরা শুনতে পেলাম। কথা বলা শেষে বাবা ভাইয়ার পান্জাবী, পায়জামা, বিয়ের পাগরী নিয়ে এসে
আমাকে দিয়ে বল্লেন-
:- এইগুলা পড়ে এস,
:- মানে কি বাবা? এইগুলা পড়ব কেন?
:- কারন এই বিয়ে এখন তুমি করবে।
:- কি!! আমি বিয়ে করব। আমারত বিয়ের বয়স ই হয়নি। তাছাড়া বিয়ে করে বৌকে খাওয়াব কি??
:- সেইটা তোমাকে ভাবতে হবে না। তোমাকেই এই বিয়ে করতে হবে। আর কোন কথা না বলে এইগুলা পড়ে এস।
বাবার মুখের উপর কথা বলার সাহস আমার নাই। তাই বাধ্য হয়ে বিয়েটা করতে হল। আজ আমার বাসর রাত। বাড়ির সবাই বৌ নিয়ে ব্যস্ত। আমি ছাদে বসে সিগারেট খাচ্ছি। সিগারেট আমি খাইনা। কিন্তু আজ কেন জানি খুব খেতে ইচ্ছা করতাছিল। তাই বাবার সিগারেটের প্যাকেট নিয়া আসছি। সিগারেট খাচ্ছি হঠাত পেছন থেকে পাশের বাসার ভাবি ডাক দিল
:- এই যে মি.সাকিব। এখানে কি করছ??
:- কিছুনা ভাবি। এইত আকাশ দেখতেছি।
:- নতুন বৌ রে রাইখা আকাশ দেখ। চল বাসায় চল। সবাই তোমার জন্য Wait করতাছে।
আমি ভাবির পিছন পিছন যাচ্ছি। হঠাত ভাবি বলল-
:- সাবধানে বিড়াল মাইরো ভাই,,
:- তোমার কথা বুঝলাম না ভাবি।
:- থাক আর বুঝতে হবে না।
আমি আসলেই বুঝতে পারি নাই, বিড়াল মারাটা কি?
সবাই আমাকে জোর করেই বাসর ঘরে ঢুকিয়ে দিল। আমি ঢুকে দেখি নীর (আপনাদের তো বলাই হয় নাই আমার বৌয়ের নাম নীর। ও আমার থেকে ২ বছরের বড়) খাটে বসে আছে। আমি গিয়ে সোফায় বসলাম। ও একগ্লাস দুধ এনে আমাকে দিল। আমি অর্ধেকটা খেলাম। ও গিয়ে খাটে বসল। আমি চোখ বুঝলাম। অনেক ক্লান্ত থাকায় ঘুমিয়ে পড়লাম।
হঠাত ঘুম ভেঙ্গে গেল। একি আমি খাটে শুয়ে আছি। নীর আমাকে জরিয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। আমার কাপর change। ইশশ। বুঝলাম নীর change করছে। এখন খুব রাগ হচ্ছে। তাই ভাবলাম বারান্দায় গিয়ে সিগারেট খাই। কিন্তু ওঠার সাথে সাথে নীর বলল-
:- ঐ কই যাও??
:- আপনি কে যে আপনাকে বলব।
:- আমি তোমার বৌ। আর আপনি আপনি করতেছ কেন??
:- আপনি আমার থেকে দুই বছরের বড়।
:- তাতে কি আমি এখন তোমার বৌ। তাছাড়া বিয়ে যখন করছ। বৌয়ের মর্যাদাতো দিতেই হবে। আসো খাটে আস। (নীর)
:- ঐ আমি আপনাকে ইচ্ছা করে বিয়ে করিনি।
:- শোন। আমি বিয়ের আগে সম্পর্ক করি নি। কারণ আমার সপ্ন ছিল, আমার স্বামী। আমি আমার স্বামী কে ভালবাসব। যেহেতু তুমি আমার স্বামী। তাই তোমাকে আমি ভালবাসি। তোমাকেও আমাকে ভালবাসতে হবে। আস ঘুমাইতে আস।
:- দেখুন আমি আপনাকে ভালবাসতে পারব না।
:- বিয়ে যেহেতু করেছিস,ভালবাসতেই হবে। বিয়ের আগে যত টান্কি মারছ, সব ভুইল্লা যাও। এখন যদি কোন মেয়ের দিকে তাকাও না চোখ উঠাইয়া দিমু। No hunky punky
:- আপনি আমার সাথে এভাবে কথা বলতাছেন কেন??
:- ঐ তুই খাটে আসবি না আমি তোর বাপকে ডাকব।
বুঝলাম খাটে যেতেই হবে। কারন এই মেয়েকে বিশ্বাস নাই, বাবকে ডাক দিতেই পারে। তাই বাধ্য হয়ে খাটে গেলাম। এই মাইয়া আবার জরাইয়া ধরছে। ‘ইয়া আল্লাহ আমারে এই পেত্নীর হাত থেকে বাচাও’ এইটা বইল্লা গুমাইয়া পরলাম।
সকালে একটু দেরি করেই ঘুম থেকে উঠলাম। নাস্তা করে বাহিরে গেলাম। বন্ধুরা আমার বিয়ের খবর শুনে খুব খুশি হল কিন্তু ওরা বাশটা ঠিকই দিল। ২০০০ টাকা খাওয়াতে হইছে। হঠাত ফোন বেজে উঠল দেখি Unknown Number. আমি Unknown number কল রিসিভ করি না। পরপর তিনবার রিং হওয়ার পর কল রিসিভ করলাম-
:- আসসালামু আলাইকুম। (আমি)
:- অলাইকুম আসসালাম। কোথায় তুমি? (মেয়ে কন্ঠ)
:- কে আপনি?
:- আমি তোমার বৌ। তারাতারি বাসায় আস। বাবার বাড়িতে যাব।
:- তো যান। আমি এসে কি করব। আপনার বাবার বাড়ি আপনি যাবেন, তাতে আমার কি?
:- তুমি যাবা না??
:- আমি কোথাও যাব না।
এই বলে ফোন কেটে দিলাম। কিছুখন পর আবার ফোন বেজে উঠল।
:- হ্যালো আব্বু।
:- কই তুমি?
:- আমিত বাজারে আসছি।
:- তাড়াতাড়ি বাসায় আস।
:- ওকে আব্বু আসতেছি।
বন্ধুদের বিদায় দিয়ে বাসায় আসলাম। তারপর বাবা পাঠিয়ে দিল আমাকে নীরদের বাড়ি। ওদের বাড়িতে আমরা ৫ জন গেলাম। আমি, আমার কাজিন ফারাবি, শুভ, অধরা আর কুমু। যাই হোক ওদের বাড়ি যেতে যেতে রাত হয়ে গেল।
রাতে খাওয়া দাওয়ার বিশাল আয়োজন করল। খাওয়া শেষে আমাকে একটা রুমে বসিয়ে রাখা হল। সালার কাজিন গুলাও নিয়ে আসলাম সময় কাটানোর জন্য, আর তারা গল্প মারতাছে। একা বসে Boring feel করতেছিলাম। তখন আমার কিছু শালী আসল।
:- কেমন আছেন দুলাভাই?
:- জ্বী। ভাল আপনারা?
:- আমরাও আছি ভালই। একা একা ভাল লাগতেছে না। তাই না। আপুকে পাঠাব??
:- আরে না। আমি ঠিক আছি।
:- দুলাভাই আপনি কিন্তু দেখতে অনেক স্মার্ট। আপনার সাথে আমার আপুর বিয়ে না হলে আমি আপনার সাথে প্রেম করতাম।
:- হা হা হা হা। আপনিও দেখতে অনেক সুন্দর
:- আচ্ছা ভাইয়া তবে আমরা উঠি। টেনশন কইরেন না। আপনার বৌকে পাঠাচ্ছি।
এ কথা বলে ওরা চলে গেল। কিছুক্ষন পর নীর আসল। এসে দরজা লাগিয়ে দিল। তারপর আমাকে আমাকে খাটের উপর ফেলে আমার উপর উঠে বলল-
:- ভালইতো ফেবুতে প্রেম করতে পার। এখন বৌকে ভালবাসতে পার না?
:- মানে কি? আপনি আমার ফোন কেন ধরছেন? আপনি আমার উপর থেকে সরুন।
:- আমি ধরতেই পারি কারন আমি তোমার বৌ। আমি সব ধরতে পারি।
এই বলে ও আমাকে কিস করা শুরু করল।
First-time আমি এইরকম fellings পেলাম। Really আমার কেমন যেন fellings হল। মনে হল আমি কোথাও হারিয়ে যাচ্ছি।
ঠক ঠক। দরজায় কেউ করা নারছে।
ও উঠে দরজা খুলতে গেল। শালিরা এসেছে
:- ভাইয়া সরি। আমরা বুঝতে পারি নাই। কি দুলাভাই ডিসট্রাব করলাম নাকি??
:- না না। ভিতরে আসুন।
:- না ভাইয়া, আসব না। গুড নাইট ভাইয়া।
ওরা চলে গেল। নীর আবার আমার দিকে আসছে।
:- দেখুন, আমি বাচ্চা ছেলে। আমার সাথে এরকম করবেন না।
:- তুমি বাচ্চা ছেলে!! ফেসবুকেতো ঠিকই রোমাঞ্চ করতে পার। নিজের বৌয়ের সাথে করতে পার না?
:- দেখু…………
:- কোন দেখা দেখি নাই যা হবার সরাসরি হবে।
এই মেয়ের হাত থেকে বাচা impossible. যাইহোক কোন মতে রাতটা কাটিয়ে দিলাম।
পরেরদিন ওর সব আত্মীয় আমাকে দেখতে আসল। সবার সাথে একে একে পরিচয় করাইয়া দিল। ওদের ওখানে দুই দিন ছিলাম। দুইদিনে খুব আদর যত্ন করেছে ওরা। বাড়িতে আসার পথে ও ফুসকা খেতে চাইল।
:- এই যে আমি ফুসকা খাব। (নীর)
:- ঐ আপনি ফুসকা খেতে চাইলে তাতে আমার কি? যান না খেয়ে আসুন।
:- ঐ তুমি সবসময় এরকম কর কেন? আমাকে কি তুমি মেনে নিতে পারনি?
:- না পারিনি। (একটু রাগি কন্ঠে বল্লাম)
:- মেনেতো নিবাই। তারপর……..
:- কি তারপর? বলুন
:- থাক। আগে ফুসকা খাব। চল আমায় ফুসকা খাওয়াও।
বাধ্য হয়ে ফুসকা খাওয়ালাম। যাইহোক বাড়িতে আসলাম। আমি একটু বাহিরে গেলাম friends সাথে দেখা করতে। বন্ধুরা আমাকে বলল-
:- কিরে বিয়ে করে বউ পাগলা হয়ে গেলি?
:- আরে না। বউ পাগলা কেন হব। এমনি ওদের বাড়িতে গেছিলাম।
:- ভাই তোর কপাল। সালা আমাদের কপাল। ভালই মজায় আছ। শশুর বাড়ি যাচ্ছ। (রিদয় বলল)
:- ব্যাটা বিয়াতো করনাই। মজা মনে করতাছ। বিয়া কর তারপর বুঝবা কত ধানে কত চাল।
কিরিং কিরিং
নীর কল দিচ্ছে, ৫ বার দেয়ার পর রিসিভ করলাম।
:- ফোন ধরতে এত সময় লাগে কেন? (রাগি কন্ঠে নীর বলল)
:- না মানে…….
:- মানে কি? রাত ১১ টা বাজে এখনও বাহিরে। তারাতারি বাসায় আস।
ফোনটা কেটে দিয়ে আড্ডায় মন দিলাম। আবার আব্বু ফোন দিল। এই মেয়ে sure
আব্বুকে বলছে।
:- হ্যালো আব্বু।
:- কই তুমি?
:- এইতো আব্বু রিদয়ের বাসায়।
:- এত রাতে ওখানে কি? just ২০ মিনিটের মধ্যে বাসায় আসবা।
বাবা ফোন রেখে দিল। বাসায় যাইতে হবে, না গেলে problem হবে। তাই বন্ধুদের বিদায় দিয়ে ১২ টার দিকে বাসায় আসলাম। সবাই ঘুমিয়ে গেছে। মা টেবিলে বসে আছে খাবার নিয়া। সত্যি মায়ের ভালবাসা অতুলনীয়।
:- যা হাতমুখ দুয়ে আয়। আমি খাবার দিচ্ছি।
:- ঠিক আছে মা।
রুমে যেতেই দেখি নীর বসে আছে। আমার সাথে কথা বলল না। আমিও কোন কথা না বলে, কাপর চেন্জ করে খাবার খেতে চলে গেলাম।
:- বৌমাকে ডাক দে? ও এখনও না খেয়ে আছে। আমি বলেছিলাম সবার সাথে খেতে। কিন্তু ও তোকে ছারা খাবেনা। ডাক দে।
:- আমি পারব না। তুমি ডাক দাও।
মা নীরকে ডাক দিল। ও খাবার খেল। আমার খাবার খাওয়া শেষে শুতে চলে গেলাম। ও আসল। চুপ করে শুয়ে গেল। আজ আর কোন কথা বলল না। সত্যি আজ কেমন যেন কিছু miss করছি। হয়ত ওর দুষ্ট মিস্টি আদরগুলো। তাহলে কি আমি ওর প্রেমে পরছি।
সকাল বেলা থেকে আমার খুব পেটে ব্যাথা শুরু করে। বুঝতে পারছি না। প্রচন্ড ব্যাথায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলি এরপর আর কিছু মনে নাই। যখন জ্ঞান ফিরল তখন আমি হাসপাতালে শুয়ে আছি। রাত ৪ টার মত হবে। নীর আমার পাশে বসে আছে। মনে হয়না সারারাত ঘুমাইছে। চোখ দুটো লাল। হয়ত কান্না করছে। মেয়েটা আমাকে অনেক ভালবাসে। না একে আর কষ্ট দেয়া যাবেনা। আমাকে নরতে দেখে আম্মুকে ডাক দিল। বাহিরে আব্বু আম্মু বসা ছিল। আব্বু আর নীরকে বাসায় পাঠিয়ে দিলাম। আম্মু গেল না। আমার কাছেই থেকে গেল। যাইহোক আমিও ঘুমিয়ে পরলাম। পরেরদিন আমি বাসায় চলে আসলাম।
সারাদিন বৌকে কাছে পেলাম না। ওকে যে আমি ভালবাসি, এটাতো বলতে হবে। যাইহোক রাতে আমার জন্য রুমে খাবার নিয়া আসল।
:- আমি এগুলা খেতে পারব না। (আমি)
:- কেন? কি হইছে?
:- কেউ খায়াইয়া দিলে খেতাম।
:- কি ব্যাপার। something is wrong
:- থাক লাগবে না। আমি খাব না।
:- আরে না। আমি খায়াইয়া দিচ্ছি।
ও আমাকে খায়াইয়া দিল। খাবার শেষে ও প্লেট নিয়া চলে যাচ্ছে। তখনই ওর হাত ধরে টেনে আমার বুকের কাছে নিয়া আসলাম।
:- কি ব্যাপার। আজ এত রোমান্টিক।
:- কারণ, আজ আমার সিনিয়র বৌকে ভালবেসে ফেলেছি।
:- তাই বুঝি। এই যে, আমি তোমার সিনিয়র মুখ সামলে কথা বল।
:- তাই না। Husband সব সময় বৌ এর থেকে বড় হয়।
ওকে কাছে এনে কপালে kiss করলাম।
:- প্লেটটা রেখে আসি। তারপর বুঝাচ্ছি কে সিনিয়র আর কে জুনিয়র। (নীর প্লেট নিয়ে যেতে যেতে বলল)
এরপর কি হল সেটা আর বলতে চাইছি না…..
যাইহোক আমার সিনিয়র বৌকে পেয়ে আমি happy……

-------সংগৃহীত।

Comments

Popular posts from this blog

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্প - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - এক বনে ছিল এক হিংস্র বাঘ। সে যেকোনো প্রাণীকে দেখলেই ঝাপিয়ে পড়তো। কাউকে সে মানতো না। একদিন এক নিরীহ হরিণ সেই বাঘের কবলে পড়লো। হরিণটা অনেক যুদ্ধ করেও পালাতে পারলো না। বাঘ মাত্র ওকে সুবিধামতো কামড় বসাবে। এমন সময় হরিণের মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। হরিণ বলল, “ওহে বাঘ। তুমিতো সবাইকেই খাও। আমায় না হয় ছেড়ে দাও। আমার মাংস খেলে তোমার একটুও পেট ভরবে না। তার চেয়ে বরং বিনিময়ে আমি তোমাকে অনেকগুলো গরু দিবো। তা দিয়ে এক মাস চলে যাবে তোমার।” বাঘ কথাটা শুনে ভেবে দেখল কথাটাতো মন্দ না। তাই সে হরিণটাকে ছেড়ে দিল। পরে হরিণ চলে গেল সেখান থেকে। আর বাঘ তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু চালাক হরিণকে আর পায় কে? হরিণতো তার উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনে রক্ষা পেল। তাই গায়ের জোর না থাকলেও বুদ্ধির জোর সবচেয়ে দামি। এই গল্প থেকে আমরা অনেকগুলো শিক্ষা নিতে পারি: 1। কাউকে সহজেই বিশ্বাস করা ঠিক না। সহজেই বিশ্বাস করাটা বোকামি। 2। বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে বরং ভয়টাকে জয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। 3। গায়ের শক্তি না থাকলেও বুদ্ধির জোর দিয়ে ...
মহাবিশ্বের রহস্যাবৃত কিছু ঘটনা (পর্ব-১) সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮   - বিচিত্র - ব্যাতিক্রমী ও রহস্য কাল পরিক্রমায় পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যাতে সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিজ্ঞানীরাও পর্যন্ত অবাক হয়ে যান। যার রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত দিশেহারা হয়ে পড়েন। পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে এমন কিছু র হস্যাবৃত বা আশ্চর্য  ঘটনা ঘটেছে যার রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা ব্যর্থ হয়েছেন। এই ঘটনা গুলো ঘটেছে তারপরই ঘটনা গুলো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও গবেষণা হয়েছে কিন্তু ঘটনাটি কেন ঘটলো বা কি কারণে ঘটলো তার কোন সঠিক ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ পাওয়া যায় নি। ফলে ঘটনাগুলো সবার কাছে শুধুই রহস্য হয়েই রয়ে গেছে।  আসুন আমরা সেই সব আশ্চর্য ঘটনা গুলোর মধ্য থেকে কিছু ঘটনা জানার চেষ্টা করি। ১.  ( হারিয়ে যাওয়া ১০ মিনিট ) এক চমৎকার রৌদ্রজ্জ্বল দিনে আমেরিকার মিয়ামী বিমানবন্দর থেকে এক টি বিমান  বৈমানিক ও যাত্রী নিয়ে আকাশে উড়াল দেয়। নিচে কন্ট্রোল রুম থেকে রাডারের সাহায্যে বিমানটিকে পর্যবেক্ষন করছিলেন অপারেটরগন। হঠাৎ রাডার স্ক্রিন থেকে ব...

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারণা!

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারণা বিগব্যাঙ কি? বিখ্যাত একটি তত্ত্ব। বিজ্ঞানে সর্বাধিক উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি। শুধু তাই না, পৃথিবীর সবচাইতে ভুল ভাবে বোঝা বিষয়গুলোরও একটি হলো বিগব্যাঙ। বিগব্যাঙ সম্পর্কে আমরা সাধারণ মানুষ হয়তো নাম শুনেই যথাযথ সম্মান জানিয়ে দুরে থাকি। কিংবা, এমন কিছু আবছা ধারনা রাখি যা আসলে ভুল, মহাভুল। আমারা যেই মহাবিশ্বে বাস করি তার কিভাবে উৎপত্তি হলো? মহাবিশ্বের সৃষ্টির আগে কি ছিল? এই প্রশ্ন মানুষ অনেক আগে থেকেই করে আসছে। পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে  বিগব্যাঙ  তত্ত্ব এই প্রশ্নের উত্তর দেয়? যদি এরকমটাই ভেবে থাকেন তাহলে এখনই এ ধারণাটা মাথা হতে ঝেড়ে ফেলে দিন! আসলে এই মহাবিখ্যাত তত্ত্বটির মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে কোন মাথাব্যাথা নেই। এই তত্ত্ব আরো যে সব চিরায়ত, অবাক করা প্রশ্ন নিয়ে কাজ করে না সেগুলো হলো: =>  কি, কিংবা কোন শক্তি মহাবিশ্বের উৎপত্তির সূচনা করেছিলো? বিগব্যাঙ নয়, ইনফ্লুশন থিউরী এর একটি ব্যাখ্যা দেয়। =>  বিগব্যাঙের আগে কি ঘটেছিলো? =>  মহাবিশ্বের বাইরে কি আছে? =>  মহাবিশ্বের আকৃতি কেমন? এ বিষয়টি অনেক তত্ত্ব...