Skip to main content


তারারা কেন মিটি-মিটি জ্বলে ?

লিখেছেন : হিমাংশু কর
সেপ্টেম্বর 26, 2018
আমরা প্রায়শই বলে থাকি মিটি-মিটি তারা। কিন্তু কখনোকি ভেবে দেখেছেন, কেন  তারারা এই রকম মিটি-মিটি করে জ্বলে? কিংবা আসলেই কি এরা এরকম মিটিমিটি জ্বলে, নাকি এটি কোন চোখের ভুল?
আসলে লক্ষ্য করলে দেখেবেন, তারাদের থেকে এক ধরনের ছটা বের হয়। এবং ৬ টি বিভিন্নদিক থেকে এদের তন্তুগুলো প্রসারিত। কিন্তু আসল কথা হল ,দূরবর্তী যেকোনো আলোক-রশ্মি থেকেই আমরা এ রকম ছটা দেখে থাকি। আসলে তারা থেকে বা কোন আলোক রশ্নি  থেকেই এই রকম ছটা বের হয় না। এই রকম ছটা দেখার কারন আমাদের চোখ নিজেই। যদি আমাদের চোখের গঠনের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাব, আমাদের চোখটি গঠিত এক ধরনের কেলাসিত লেন্স দ্বারা এবং ছয়টি দিক থেকে বিভিন্ন তন্তু দ্বারা প্রসারিত। আর এই কেলাসিত লেন্সের গঠন মোটেও স্বচ্ছ নয়। তাই দূর থেকে যখন আমাদের চোখে এই রকম কোন আলোর বিন্দু এসে পড়ে তখন কেলাসিত লেন্সের অরিয় প্রতিফলনের ফলে আমরা এই ছয় বিন্দুর তারকা রুপ দেখি। তার মানে তারারা তারার মত ছয় কোনাচে নয়। আর এই ছয় কোনাচে আলো যখন আমাদের বায়ুমণ্ডলের অসম মাধ্যমঃ বিভিন্ন মানের তাপ,ঘনত্ব,গ্যাসীয় স্তর এর মধ্য দিয়ে আসে তখন তা আলোর প্রতিসরনের কারনে সোজা পথ থেকে দূরে সরে কখনো অভিসারী আবার কখনো প্রতিসারী আলোক বিন্দুতে পরিনত হয়।তার ফলে বার বার আলোর উজ্জ্বলতার রদবদল ঘটে।


তারাদের মিটিমিটি জ্বলা
তারাদের মিটিমিটি জ্বলা

তাই দূর থেকে আমাদের কাছে মনে হয় তারারা যেন মিটিমিটি জ্বলছে। তবে যাই হোক না কেন, এটি প্রকৃতিরই এক কারসাজী। আর অবশ্যই অনেক মনমুগ্ধকর তো বটেই।
------------Collected.

লিখাটি নিয়ে আপনার অভিমত কি?

Comments

Popular posts from this blog

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্প - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - এক বনে ছিল এক হিংস্র বাঘ। সে যেকোনো প্রাণীকে দেখলেই ঝাপিয়ে পড়তো। কাউকে সে মানতো না। একদিন এক নিরীহ হরিণ সেই বাঘের কবলে পড়লো। হরিণটা অনেক যুদ্ধ করেও পালাতে পারলো না। বাঘ মাত্র ওকে সুবিধামতো কামড় বসাবে। এমন সময় হরিণের মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। হরিণ বলল, “ওহে বাঘ। তুমিতো সবাইকেই খাও। আমায় না হয় ছেড়ে দাও। আমার মাংস খেলে তোমার একটুও পেট ভরবে না। তার চেয়ে বরং বিনিময়ে আমি তোমাকে অনেকগুলো গরু দিবো। তা দিয়ে এক মাস চলে যাবে তোমার।” বাঘ কথাটা শুনে ভেবে দেখল কথাটাতো মন্দ না। তাই সে হরিণটাকে ছেড়ে দিল। পরে হরিণ চলে গেল সেখান থেকে। আর বাঘ তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু চালাক হরিণকে আর পায় কে? হরিণতো তার উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনে রক্ষা পেল। তাই গায়ের জোর না থাকলেও বুদ্ধির জোর সবচেয়ে দামি। এই গল্প থেকে আমরা অনেকগুলো শিক্ষা নিতে পারি: 1। কাউকে সহজেই বিশ্বাস করা ঠিক না। সহজেই বিশ্বাস করাটা বোকামি। 2। বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে বরং ভয়টাকে জয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। 3। গায়ের শক্তি না থাকলেও বুদ্ধির জোর দিয়ে ...

ড্রাই আইস কী?

ড্রাই আইস আকর্ষ ণ  সৃষ্টির জন্যে বিভিন্ন সময় গানের স্টেজে অথবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় কুয়াশার মত ধোঁয়া দেখতে পাই আমরা। এটা আসলে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ নামেই পরিচিত। তার মানে কি এটা কঠিন পানি? কিন্তু পানি কঠিন হলে কি সেটা ধোঁয়ার মত উড়বে? ড্রাই আইস প্রথমে ড্রাই আইস কি সেটা বলি। সহজে বললে, শুষ্ক কার্বন-ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপকেই ড্রাই আইস বলে। অনেক কম তাপমাত্রায় এবং কম চাপে (−56.4 °C তাপমাত্রা এবং 5.13 atm চাপে) গ্যাসীয় কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে রেখে দিলে সেটি তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি কঠিন পদার্থের আকার ধারণ করে। এই কঠিন পদার্থটিই আসলে ড্রাই আইস বলে আমরা জানি। তাহলে এই কঠিন পদার্থটি আবার ধোঁয়ার মতই উড়বে কিভাবে? আসলে ড্রাই আইসকে যখন উষ্ণ ও গরম পানির সংস্পর্শে আনা হয়, তখন মেঘের মত দেখতে শুভ্র ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এই সাদা ধোঁয়াটি কিন্তু কার্বন-ডাই-অক্সাইড নয়, অধিক ঘনমাত্রার পানির বাষ্পের সাথে মিশ্রিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড। ব্যাপার হচ্ছে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডার ফলে গরম পানির বাষ্প ঘনীভূত হয়ে এমন আকার ধারণ করে। কার্বন-ডাই-অক্সাইড বাহিত এই কুয়াশাটা অনেক ভারী হয়, তা...

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল)

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল) অক্টোবর 01, 2018 : বিভাগ- ভৌতিক / ভয়ংকর গল্প গল্প লিখেছেন :  সংগ্রহীত তখন আমি সিলেট বিভাগের জেলা ছাতকের খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকতা। আমাদের অফিসটা ছিল সুরমা নদী কোল ঘেষে। গাছগাছালী ঘেরা ছায়া মনোরম এক পরিবেশ । আমার অফিস থেকে একটু হেটে কিছুদুর গেলেই সুরমা নদীর পাড়ে ঘেষে একটা শশ্মান। ঐ শশ্মানে একটা মানুষ প্রমান কালীর মূর্তি ছিল । কালীর মূর্তিটার সারা শরীর ছিল কালো রংয়ের ছিল । পরনেও ছিল কালো রংয়ের একটা শাড়ি। পিছনে কালো এলোমেলো চুল গুলো নিতম্ব ছেড়ে নিচে নেমেছে। এক হাতে ত্রিশুল , আরেক হাতে একটা সাপ । মুখ থেকে অনেকটা বেরিয়ে থাকা লাল রংয়ের জিব্হাটা মুখ থেকে ভয়ংকর ভাবে বের হয়ে বুক ছুয়েছে। চোখ দুটি টকটকে লাল। ভয়ংকর ভাবে তাকিয়ে আছে । হঠাৎ দেখলে চমকে উঠতে হয়। দিনের বেলা মুর্তিটাকে দেখলে তেমন একটা ভয় লাগত না , কিন্তু সন্ধ্যা বেলা পড়ন্ত সূর্যের আলোয় দেখলে বুকের ভিতর অজানা এক ভয়ের শিহরন জাগত। তখন মনে হত ওটা মুর্তি নয়, সত্যি জীবন্ত ভয়ংকর এক মানবী । আমি শিহরীত হওয়ার জন্য প্রায় সন্ধ্যা বেলায় যেতাম। আমার এভাবে ওই সময় প্রায় যেতে দেখে অফিসের দাড়োয়ান একদিন ব...