Skip to main content

আপনি কি জানেন, শুধু Subconscious Mind ব্যবহার করেই দৈনন্দিন জীবনের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে পারবেন।

আপনি কি জানেন, শুধু Subconscious Mind ব্যবহার করেই আপনার দৈনন্দিন জীবনের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে পারবেন। 
লিখেছেন- জুটন,  সেপ্টেম্বর 30, 2018- বিভাগ- স্বাস্থ্য টিপস

হ্যাঁ এটা সত্যি। মানুষের মন দুই ভাবে কাজ করে- 1. Conscious Mind (চেতন মন), আর 2. Subconscious Mind (অবচেতন মন)। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি যে, Subconscious Mind আমাদের দেহের কার্যকলাপের, অভ্যাস আচরণের, এক কথায় মানসিক সব ধরণের কাজের 90% শুধু Subconscious Mind ই ব্যবহার করে থাকে। আমরা যথন কোন একটা অংক করি, বা কোনকিছু চিন্তা করি, ভাবি, সেটা আমাদের চেতন মনের কাজ মানে Conscious Mind এর কাজ। আর আবেগ, অনুভূতি, রাগ, দুঃখ, কষ্ট, ভালো লাগা এমনকি রাতে যে আমরা স্বপ্ন দেখি এসব কিছু Sub conscious Mind এর কাজ। এক কথায় আমাদের মোট কার্যকলাপের 90%ই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে Subconscious Mind মানে অামাদের অবচেতন মন। আর এই Subconsious Mind কে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার অভ্যাস, আচরণে অনেক পরিবর্তন আনতে পারবেন। মনোবিজ্ঞানীরা তাই বলেছেন।
আপনি যদি আপনার Subconsious Mind কে কোনভাবে বিশ্বাস করাতে পারেন যে, আপনি চাইলে এ বিশ্ব জয় করতে পারেন, আপনি আপনার স্বপ্নগুলো সত্যি করতে পারেন, আপনি পারেন না এমন কোন কাজ নেই। তাহলে আপনার জন্য কঠিন যে কোন কাজই সহজ হয়ে যাবে। মনোবিজ্ঞানীরা কিছু মানুষের মধ্যে বিষয়টা পরীক্ষা করে দেখেছেন। যারা সকালে দেরী করে ঘুম থেকে উঠে। আর ঐ মানুষগুলো ভাবে যে, সকালে ঘুম থেকে উঠা অনেক বিরক্তিকর বিষয়। তাদেরকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে তাদের Subconscious Mind কে ব্যবহার করার জন্য। এবং তারা তাদের Subconsious Mind কে ব্যবহার করে তাদের এই সমস্যাটা সমাধান করতে পেরেছেন। আপনিও যদি আপনার অভ্যাস, আচরণে কোন পরিবর্তন আনতে চান, তাহলে আপনিও ফলো করতে পারেন Subconsious Mind কে। এই অবচেতন মন কখন সক্রিয় থাকে?? দিনের সম্পূর্ণ সময়ই আমাদের চেতন মন কাজ করে থাকে। তবে রাতে ঘুমানোর আগের 5 মিনিট সময়টায় আমাদের অবচেতন মন (Subconsious Mind) জাগ্রত হয় এবং সবচেয়ে বেশি পাওয়ারফুল থাকে ঐ সময়টাতে। তাই আপনি রাতে ঘুমানোর আগের 5 মিনিট সময়ের মধ্যে নিজেকে বোঝাতে চেষ্টা করুন, যে আপনার জন্য অসম্ভব কিছুই নেই। আপনিও পারেন আপনার স্বপ্নগুলো সত্যি করতে। তখন দেখবেন আপনার Subconsious Mind কথাগুলো এমনভাবে বিশ্বাস করে নেবে এবং আপনাকে সেভাবেই চালিত করবে। আর সঠিকভাবে নিজের স্বপ্নের পেছনে পরিশ্রম করে যান, আপনার স্বপ্নগুলো অবশ্যই সত্যি হয়ে ধরা দেবে।

মন জিনিসটা আসলে অদ্ভূত এক জিনিস। মনকে যা বোঝানো হয়, মন তাই বোঝে।

লেখাটা পড়ে কেমন লাগল?? কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্

বাঘ ও হরিণ: শিক্ষামূলক গল্প - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - এক বনে ছিল এক হিংস্র বাঘ। সে যেকোনো প্রাণীকে দেখলেই ঝাপিয়ে পড়তো। কাউকে সে মানতো না। একদিন এক নিরীহ হরিণ সেই বাঘের কবলে পড়লো। হরিণটা অনেক যুদ্ধ করেও পালাতে পারলো না। বাঘ মাত্র ওকে সুবিধামতো কামড় বসাবে। এমন সময় হরিণের মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। হরিণ বলল, “ওহে বাঘ। তুমিতো সবাইকেই খাও। আমায় না হয় ছেড়ে দাও। আমার মাংস খেলে তোমার একটুও পেট ভরবে না। তার চেয়ে বরং বিনিময়ে আমি তোমাকে অনেকগুলো গরু দিবো। তা দিয়ে এক মাস চলে যাবে তোমার।” বাঘ কথাটা শুনে ভেবে দেখল কথাটাতো মন্দ না। তাই সে হরিণটাকে ছেড়ে দিল। পরে হরিণ চলে গেল সেখান থেকে। আর বাঘ তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু চালাক হরিণকে আর পায় কে? হরিণতো তার উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনে রক্ষা পেল। তাই গায়ের জোর না থাকলেও বুদ্ধির জোর সবচেয়ে দামি। এই গল্প থেকে আমরা অনেকগুলো শিক্ষা নিতে পারি: 1। কাউকে সহজেই বিশ্বাস করা ঠিক না। সহজেই বিশ্বাস করাটা বোকামি। 2। বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে বরং ভয়টাকে জয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। 3। গায়ের শক্তি না থাকলেও বুদ্ধির জোর দিয়ে ...

ড্রাই আইস কী?

ড্রাই আইস আকর্ষ ণ  সৃষ্টির জন্যে বিভিন্ন সময় গানের স্টেজে অথবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় কুয়াশার মত ধোঁয়া দেখতে পাই আমরা। এটা আসলে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ নামেই পরিচিত। তার মানে কি এটা কঠিন পানি? কিন্তু পানি কঠিন হলে কি সেটা ধোঁয়ার মত উড়বে? ড্রাই আইস প্রথমে ড্রাই আইস কি সেটা বলি। সহজে বললে, শুষ্ক কার্বন-ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপকেই ড্রাই আইস বলে। অনেক কম তাপমাত্রায় এবং কম চাপে (−56.4 °C তাপমাত্রা এবং 5.13 atm চাপে) গ্যাসীয় কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে রেখে দিলে সেটি তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি কঠিন পদার্থের আকার ধারণ করে। এই কঠিন পদার্থটিই আসলে ড্রাই আইস বলে আমরা জানি। তাহলে এই কঠিন পদার্থটি আবার ধোঁয়ার মতই উড়বে কিভাবে? আসলে ড্রাই আইসকে যখন উষ্ণ ও গরম পানির সংস্পর্শে আনা হয়, তখন মেঘের মত দেখতে শুভ্র ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এই সাদা ধোঁয়াটি কিন্তু কার্বন-ডাই-অক্সাইড নয়, অধিক ঘনমাত্রার পানির বাষ্পের সাথে মিশ্রিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড। ব্যাপার হচ্ছে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডার ফলে গরম পানির বাষ্প ঘনীভূত হয়ে এমন আকার ধারণ করে। কার্বন-ডাই-অক্সাইড বাহিত এই কুয়াশাটা অনেক ভারী হয়, তা...

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল)

ভয়ংকর ভূতের গল্প (চুড়েল) অক্টোবর 01, 2018 : বিভাগ- ভৌতিক / ভয়ংকর গল্প গল্প লিখেছেন :  সংগ্রহীত তখন আমি সিলেট বিভাগের জেলা ছাতকের খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকতা। আমাদের অফিসটা ছিল সুরমা নদী কোল ঘেষে। গাছগাছালী ঘেরা ছায়া মনোরম এক পরিবেশ । আমার অফিস থেকে একটু হেটে কিছুদুর গেলেই সুরমা নদীর পাড়ে ঘেষে একটা শশ্মান। ঐ শশ্মানে একটা মানুষ প্রমান কালীর মূর্তি ছিল । কালীর মূর্তিটার সারা শরীর ছিল কালো রংয়ের ছিল । পরনেও ছিল কালো রংয়ের একটা শাড়ি। পিছনে কালো এলোমেলো চুল গুলো নিতম্ব ছেড়ে নিচে নেমেছে। এক হাতে ত্রিশুল , আরেক হাতে একটা সাপ । মুখ থেকে অনেকটা বেরিয়ে থাকা লাল রংয়ের জিব্হাটা মুখ থেকে ভয়ংকর ভাবে বের হয়ে বুক ছুয়েছে। চোখ দুটি টকটকে লাল। ভয়ংকর ভাবে তাকিয়ে আছে । হঠাৎ দেখলে চমকে উঠতে হয়। দিনের বেলা মুর্তিটাকে দেখলে তেমন একটা ভয় লাগত না , কিন্তু সন্ধ্যা বেলা পড়ন্ত সূর্যের আলোয় দেখলে বুকের ভিতর অজানা এক ভয়ের শিহরন জাগত। তখন মনে হত ওটা মুর্তি নয়, সত্যি জীবন্ত ভয়ংকর এক মানবী । আমি শিহরীত হওয়ার জন্য প্রায় সন্ধ্যা বেলায় যেতাম। আমার এভাবে ওই সময় প্রায় যেতে দেখে অফিসের দাড়োয়ান একদিন ব...